কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার ঘোড়াউত্রা নদীতে নৌপথে চাঁদাবাজি করার সময় একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ ৫ চাঁদাবাজকে আটক করেছে নিকলী থানার পুলিশ।
রবিবার (২৮ আগষ্ট) বিকেলে উপজেলার ঘোড়াউত্রা নদীর বরুলিয় খালের সামনে এলাকায় মাল বোজাই নৌকা ও বাল্কহেড থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের সময় নিকলী থানার পুলিশ তাদের আটক করেছে। আটককৃতদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের কাজে ব্যবহৃত ১ ইঞ্জিন চালিত নৌকা, নগদ টাকা জব্দ করে নিকলী থানার পুলিশ।
আটককৃতরা হলো- নিকলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্বগ্রামের ইদ্রিছ আলীর ছেলে মোঃ ইমন (২৭), পূর্বগ্রাম সর্দার হাটির মোখলেছুর রহমানের ছেলে চয়ন মাহমুদ জেরিন (২৮),পূর্বগ্রাম দরগাহাটির সোনালী সর্দারের ছেলে মোঃ ফজর আলী (২৪), পূর্বগ্রাম সর্দার হাটির ইকবাল হোসেনের ছেলে সাব্বির হোসেন পিয়াস ও টিক্কল হাটির আব্দুর রউফ এর ছেলে মোঃ সানি (১৯)।
মামলার এজাহার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ ঘোড়াউত্রা নদীতে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে তারা। কিন্তু এতোদিন তারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে ছিল। নিকলী থানার এসআই মোঃ তারিকুল ইসলাম গোপন সংবাদে সঙ্গীয় র্ফোসদের দূরদর্শিতায় চাঁদাবাজদের গ্রেফতার করেছে।
ঘোড়াউত্রা নদীর বরুলিয়া খাল এলাকায় মালবাহী নৌকা থেকে ২০০ টাকা ও বালুর বাল্কহেড থেকে ১০০ টাকা এবং ছোট নৌকা থেকে ৫০ টাকা করে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করতো তারা।
নৌকা মালিক ও বাল্কহেড মালিকরা জানান, চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নৌকার মাঝি দেরকে মারধর করে। তারা নদীতে চাঁদাবাজি করে রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে বলে জানান তারা।
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনসুর আলী আরিফ বলেন, নৌপথে চাঁদাবাজি হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে এস আই মোঃ তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম ঘোড়াউত্রা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৫ চাঁদবাজকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে রবিবার রাতেই নিকলী থানায় চাঁদাবাজির মামলা করা হয়েছে। নৌপথে কোন অপ্রতিকার ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত আছি।