নিকলী হাওরে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে ৯৯৯ এ ফোন করলে উপজেলা প্রসাশন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৩ জনকে উদ্ধার করেছে।
.
সোমবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধায় ৬টায় জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল কল আসে মিঠামইন থেকে নিকলী আসার পথে একটি যাত্রীবাহী ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে বৈরি আবহাওয়ার কারনে দূর্ঘটনার শিকার হয়েছে। যার ফলে ঘোড়াউত্রা নদীতে ঝড়ের কবলে আটকা পড়ে ১৩ জন।
সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ পিপিএম বার এর দিক নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাঃ শাকিলা পারভিন এবং নিকলী থানার অফিসার ইনচার্জ মনসুর আলী আরিফ ও নিকলী থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত আক্তারুজ্জামান খানের নেতৃত্বে পুলিশ ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাতব্যাপী শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান পরিচালনা করে তেরজন যাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
.
পুলিশ জনতা জনতাই পুলিশ এ কথা টি আবারো সত্য পরিণত হলো। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সারাদেশে ঝড় বৃষ্টি জলোচ্ছ্বাস হচ্ছে,যার ফলে কেও ঘর থেকে বের হতে পারছে না। আর বের হওয়া কারো জন্য নিরাপদ নয়। এমন ভয়াবহ অবস্থা থেকে পুলিশের সহায়তায় প্রাণে বেচে ফিরে নতুন জীবন পেয়েছেন বলে মনে করছেন ঘূর্ণিঝড় কবলে পড়া আক্রান্ত ব্যাক্তিরা।
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আলী আরিফ ও ইন্সপেক্টর তদন্ত আক্তারুজ্জামান খান জানান, সোমবার সন্ধায় হঠাৎ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে কল আসে মিঠামইন থেকে নিকলী আসার পথে যাত্রীবাহী একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়েছে। তাৎক্ষণিক পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে উপজেলা প্রসাশন ও আমরা রাতভর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান পরিচালনা করে ঝড়ের কবলে আটকা পড়াদের উদ্ধার করতে সক্ষম হই।
.
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছঃ শাকিলা পারভিন জানান, উপজেলা প্রসাশন ও নিকলী থানা পুলিশের চেষ্টায় ১৩ যাত্রীকেই অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে এই ঝড়ের মধ্যেও আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা ছিলো। আল্লাহর রহমতে সবাইকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে পেরেছি।