কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলাসহ হাওর অঞ্চলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। একই সঙ্গে ঘন কুয়াশায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকা পরছে চারপাশ। বোরো জমির ধানের চারা লালছে হয়ে যাচ্ছে, হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডা জনিত শিশু রোগীর সংখ্যা।
শনিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর পর্যন্ত উপজেলায় সূর্যের দেখা মেলেনি। আবহাওয়া বিভাগের তথ্যমতে আরও কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি থাকবে।
নিকলী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তা আক্তার ফারুক দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি। দুপুর ২ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সঙ্গে আগামী ৭২ ঘণ্টা এমন কুয়াশাপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করবে।
এদিকে ঠা-া জনিত কারণে বোরো জমির ধান গাছ লালছে হয়ে গেছে। নিকলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, বেশি ঠা-ার কারণে ধান গাছ বির্বণ হয়ে গেছে। আবহাওয়া ভালো হয়ে যাবে। আমরা কৃষি অফিসথেকে কৃষকদের জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি রাখার পরামর্শ দিচ্ছি।
উপজেলা স্থাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মতর্কা চিকিৎসক সজীব ঘোষ জানান, শীত জনিত কারণে শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, তবে হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ আছে। শীত কমে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেণে আসবে।
নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছঃ শাকিলা পারভিন বলেন, নিকলীর সাতটি ইউনিয়নে শীতার্ততের মাঝে ২ হাজার ৭০০ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
এদিকে সূর্যের দেখা না মেলায় বৃহস্পতিবার দুপুরেও উপজেলার সড়ক ও নদীগুলোতে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকতে দেখা যায়। এ কারণে মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। এদিকে নদীতেও কুয়াশার কারণে নৌযান চলাচল কিছুটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।উপজেলার সিংপুর ধনু নদীগুলোতে ঘন কুয়াশার কারণে শতাধিক কার্গো নোঙ্গর করে রেখেছে।