মোসাদ্দেক হোসেন দিয়েছিলেন দারুণ কিছুর বার্তা। তাতে পূর্ণতা দিলেন ব্যাটাররা। নতুন দিনের বার্তা দেওয়া দল পেল জয়ের দেখা। প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়ার পর দ্বিতীয়টিতে জিতে সিরিজ বাঁচিয়ে রাখল টাইগাররা। রোববার
পরাজয় দিয়ে শুরু হলো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ। প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ১৭ রানের হার দেখলো নুরুল হাসান সোহানের দল। জিম্বাবুয়ের হারারের স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আজ শনিবার
অতিরিক্ত খেলা নিয়ে চাপে ক্রিকেটাররা।তাই বলে ওয়ানডে বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে নন দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক। এই ফরম্যাটকে আকর্ষণীয় করতে ৫০ ওভারের পরিবর্তে ৪০ ওভারে নামিয়ে আনার আফ্রিদির পরামর্শে
আসন্ন টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডে সিরিজকে সামনে রেখে মধ্যরাতে জিম্বাবুয়ের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশি তিন ক্রিকেটারসহ পাঁচজনের প্রথম বহর। মঙ্গলবার একই সময় দেশ ছাড়বেন দলের বাকি সদস্যরা। সোমবার (২৫ জুলাই) রাতে
আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজে বাংলাদেশ দল সাজানো হয়েছে তারুণ্য নির্ভর। বিশ্রামের আদলে বাদ দেওয়া হয়েছে মুশফিকুর রহিম-মাহমুদউল্লাহদের। ছুটিতে আছেন সাকিব আল হাসানও। সবমিলিয়ে এই সিরিজে সিনিয়রদের না রেখে তরুণদেরকেই তুলে ধরতে
উইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে লজ্জাজনক পারফরম্যান্সের পর ওয়ানডে সিরিজে দারুণ খেলছে বাংলাদেশ। আজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে টাইগাররা। এই জয়ের ফলে এক
বল হাতে রীতিমতো আগুন ঝরালেন জাসপ্রিত বুমরাহ। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে কেবল ৩০ রান করতে পারল ইংল্যান্ড, হারাল ৫ উইকেট। যার চারটিই নিলেন বুমরাহ, তাও মাত্র ৯ রান দিয়ে। শেষ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পূর্নাঙ্গ সিরিজ শুরু হয়েছিল টেস্ট দিয়ে। দুই ম্যাচের সিরিজে কোনো লড়াই ছাড়াই হারে বাংলাদেশ। এরপর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটি ভেসে যায় বৃষ্টিতে। পরের দুটিতে যথাক্রমে ৩৫
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সিনিয়র খেলোয়াড়দের ছাড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ওয়ানডে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের জন্য বিশ্রাম দেয়া হয় নিয়মিত অধিনায়ক রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলি-জসপ্রিত বুমরাহ-মোহাম্মদ সামি-ঋসভ পান্থদের।
অ্যান্টিগার পর সেন্ট লুসিয়াতেও বড় ব্যবধারে হারলো বাংলাদেশ। ফলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজও খোয়ালো টাইগাররা। কিন্তু সিরিজ হারের পাশাপাশি একটি লজ্জার রেকর্ডে নাম লেখালো সফরকারীরা। কারণ টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের এটি শততম হার। বাংলাদেশের